• শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ১১:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
জিপিএ -৫ পেয়ে সকলের দোয়া প্রার্থী সিয়াম শিকদার চৌহালীতে নদী ভাঙনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বসত বাড়ী বিলীন চৌহালীর বাঘুটিয়া ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় সাংবাদিক আল ইমরান মনু চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী আতাউর রহমান চৌহালীতে অগ্নিকাণ্ডে কৃষকের গরু বাছুর ঘর পুড়ে ছাই চৌহালীতে মুহূর্তেই তলিয়ে যাচ্ছে বসতবাড়ি ও ফসলি জমি সাভারে তালাবদ্ধ ফ্ল্যাট থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী ছাত্রদল নেতা পলাতক চৌহালীতে ব্র্যাকের উদ্যোগে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে প্রশিক্ষণ ও হাঁসের বাচ্চা বিতরণ চৌহালীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিজয় দিবস উদযাপন নাগরপুর ভাড়রা ইউনিয়নে বিএনপির ৩১ দফা বাস্তবায়নে এম এ ছালামের লিফলেট বিতরণ

চৌহালীতে মুহূর্তেই তলিয়ে যাচ্ছে বসতবাড়ি ও ফসলি জমি

Reporter Name / ২৭৬ Time View
Update : রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬

চৌহালী (সিরাজগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ

যমুনা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে গত দুই দিনে প্রায় ৭শ মিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এতে সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলা ও টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার সলিমাবাদ পশ্চিমপাড়া এলাকায় অন্তত ৬টি বসতবাড়ি, একটি ঐতিহ্যবাহী পাকা মসজিদ এবং বিস্তীর্ণ ফসলি জমি নদীগর্ভে তলিয়ে গেছে। নদীভাঙনের আতঙ্কে চরম উদ্বেগে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এর আগে সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার বাঘুটিয়া ইউনিয়নের সম্ভুদিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন ঘাটের উত্তর পাশে প্রায় ৩শ মিটার, দক্ষিণ পাশে প্রায় ১শ মিটার, চর সলিমাবাদ উত্তরপাড়ায় প্রায় ১শ মিটার এবং দক্ষিণপাড়ায় প্রায় ২শ মিটার এলাকা মুহূর্তের মধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়। এতে একাধিক বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ ফসলি জমি নদীতে চলে যায়। পরে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ডাম্পিং করায় ওই অংশের ভাঙন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে।

তবে গত দুই দিন ধরে সলিমাবাদ পশ্চিমপাড়ায় আবারও ভয়াবহ আকারে নদীভাঙন শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে এলাকার ঐতিহ্যবাহী একটি পাকা মসজিদ গভীর রাতে যমুনার গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। সবশেষ শুক্রবার দুপুরে হঠাৎ তীব্র ভাঙনে আব্দুল হাই, মাওলানা আব্দুল মজিদ, মাওলানা আবু সাইদ ও কোরবান আলীর বাড়িসহ অন্তত ৬টি পরিবারের বসতবাড়ি টেলিভিশন, ফ্রিজ ও অন্যান্য আসবাবপত্রসহ সম্পূর্ণ নদীগর্ভে তলিয়ে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দা ও চৌহালী উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ফকির জুয়েল রানা বলেন, “জিও ব্যাগ ডাম্পিং করা হলেও প্রয়োজনের তুলনায় তা খুবই অপ্রতুল। ফলে এলাকাটি এখনো ঝুঁকিমুক্ত নয়। যেকোনো সময় আরও বড় ধরনের ভাঙন দেখা দিতে পারে।”
তিনি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা রক্ষায় দ্রুত পর্যাপ্ত জিও ব্যাগ ডাম্পিং এবং স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি জানান।

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোখলেসুর রহমান বলেন, “ভাঙন এলাকার পাশেই একটি চর জেগে ওঠায় নদীর পানির প্রবাহ তীরের দিকে চলে এসেছে এবং ওই স্থানে নদীর গভীরতা অনেক বেড়ে গেছে। এ কারণেই ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। শুরু থেকেই আমরা জিও ব্যাগ ডাম্পিং কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। সবশেষ যে কয়েকটি বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে, সেখানে আজ থেকেই জিও ব্যাগ ফেলা শুরু হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যাপ্ত জিও ব্যাগ সরবরাহ করা হবে।”

Facebook Comments Box


More News Of This Category
bdit.com.bd
error: Content is protected !!