• মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সিরাজগঞ্জের চৌহালীর খাষপুখুরিয়া ইউনিয়নে ১৬৭ অসহায় পরিবারের মাঝে জিআর চাল বিতরণ চৌহালীতে প্রধান শিক্ষকের বিদায় সংবর্ধনা চৌহালীতে অভ্যন্তরীণ ও প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে পোনা মাছ অবমুক্ত চৌহালীতে ভোটকেন্দ্র স্ব ইউনিয়নে স্থাপনের দাবিতে মানববন্ধন চৌহালীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত উমারপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী হুমায়ুন কবিরের গণসংযোগ চৌহালীতে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত চৌহালীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদ্বোধন জিপিএ -৫ পেয়ে সকলের দোয়া প্রার্থী সিয়াম শিকদার চৌহালীতে নদী ভাঙনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বসত বাড়ী বিলীন

চৌহালীতে মুহূর্তেই তলিয়ে যাচ্ছে বসতবাড়ি ও ফসলি জমি

Reporter Name / ৪২৯ Time View
Update : রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬

চৌহালী (সিরাজগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ

যমুনা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে গত দুই দিনে প্রায় ৭শ মিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এতে সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলা ও টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার সলিমাবাদ পশ্চিমপাড়া এলাকায় অন্তত ৬টি বসতবাড়ি, একটি ঐতিহ্যবাহী পাকা মসজিদ এবং বিস্তীর্ণ ফসলি জমি নদীগর্ভে তলিয়ে গেছে। নদীভাঙনের আতঙ্কে চরম উদ্বেগে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এর আগে সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার বাঘুটিয়া ইউনিয়নের সম্ভুদিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন ঘাটের উত্তর পাশে প্রায় ৩শ মিটার, দক্ষিণ পাশে প্রায় ১শ মিটার, চর সলিমাবাদ উত্তরপাড়ায় প্রায় ১শ মিটার এবং দক্ষিণপাড়ায় প্রায় ২শ মিটার এলাকা মুহূর্তের মধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়। এতে একাধিক বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ ফসলি জমি নদীতে চলে যায়। পরে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ডাম্পিং করায় ওই অংশের ভাঙন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে।

তবে গত দুই দিন ধরে সলিমাবাদ পশ্চিমপাড়ায় আবারও ভয়াবহ আকারে নদীভাঙন শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে এলাকার ঐতিহ্যবাহী একটি পাকা মসজিদ গভীর রাতে যমুনার গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। সবশেষ শুক্রবার দুপুরে হঠাৎ তীব্র ভাঙনে আব্দুল হাই, মাওলানা আব্দুল মজিদ, মাওলানা আবু সাইদ ও কোরবান আলীর বাড়িসহ অন্তত ৬টি পরিবারের বসতবাড়ি টেলিভিশন, ফ্রিজ ও অন্যান্য আসবাবপত্রসহ সম্পূর্ণ নদীগর্ভে তলিয়ে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দা ও চৌহালী উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ফকির জুয়েল রানা বলেন, “জিও ব্যাগ ডাম্পিং করা হলেও প্রয়োজনের তুলনায় তা খুবই অপ্রতুল। ফলে এলাকাটি এখনো ঝুঁকিমুক্ত নয়। যেকোনো সময় আরও বড় ধরনের ভাঙন দেখা দিতে পারে।”
তিনি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা রক্ষায় দ্রুত পর্যাপ্ত জিও ব্যাগ ডাম্পিং এবং স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি জানান।

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোখলেসুর রহমান বলেন, “ভাঙন এলাকার পাশেই একটি চর জেগে ওঠায় নদীর পানির প্রবাহ তীরের দিকে চলে এসেছে এবং ওই স্থানে নদীর গভীরতা অনেক বেড়ে গেছে। এ কারণেই ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। শুরু থেকেই আমরা জিও ব্যাগ ডাম্পিং কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। সবশেষ যে কয়েকটি বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে, সেখানে আজ থেকেই জিও ব্যাগ ফেলা শুরু হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যাপ্ত জিও ব্যাগ সরবরাহ করা হবে।”

Facebook Comments Box


More News Of This Category
bdit.com.bd
error: Content is protected !!