• রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
চৌহালীতে নদী ভাঙনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বসত বাড়ী বিলীন চৌহালীর বাঘুটিয়া ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় সাংবাদিক আল ইমরান মনু চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী আতাউর রহমান চৌহালীতে অগ্নিকাণ্ডে কৃষকের গরু বাছুর ঘর পুড়ে ছাই চৌহালীতে মুহূর্তেই তলিয়ে যাচ্ছে বসতবাড়ি ও ফসলি জমি সাভারে তালাবদ্ধ ফ্ল্যাট থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী ছাত্রদল নেতা পলাতক চৌহালীতে ব্র্যাকের উদ্যোগে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে প্রশিক্ষণ ও হাঁসের বাচ্চা বিতরণ চৌহালীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিজয় দিবস উদযাপন নাগরপুর ভাড়রা ইউনিয়নে বিএনপির ৩১ দফা বাস্তবায়নে এম এ ছালামের লিফলেট বিতরণ নাগরপুর-দেলদুয়ারে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশির মোটরসাইকেল শোডাউন ৩১ দফা বাস্তবায়নে লিফলেট বিতরণ

চৌহালীতে নদী ভাঙনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বসত বাড়ী বিলীন

Reporter Name / ২৬ Time View
Update : রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬

সবুজ মিয়া, চৌহালী ( সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার জোতপাড়া এলাকায় যমুনা নদীর তীব্র ভাঙনে গভীর রাতে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ অন্তত ১২টি বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জনতা উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন কে.কে. পশ্চিম জোতপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুটি টিনশেড ভবনের একাংশ নদীতে ধসে পড়ে। পাশাপাশি কয়েকটি বসতবাড়িও নদীগর্ভে বিলীন হয়। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের ধসে পড়া অংশ নদীতে পড়ে রয়েছে। এছাড়া একটি বসতবাড়ির টিনের ঘরের অংশ নদীতে ভাসতে দেখা যায়। ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেন স্থানীয় সাংসদ সদস্য মোঃ আমিরুল ইসলাম খান আলীম, তিনি জরুরী ব্যবস্থা হিসেবে ঘটনাস্থলে জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ডাম্পিং করার নির্দেশ প্রধান করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপজেলা বিএনপির যুগ্ন সাধার সম্পাদক মোঃ জাবিউল্লাহ জাবি, যুবদলের সভাপতি মোঃ আরমান হোসেন হাবীব, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোাঃ কাদের মোল্লা, সদস্য সচিব আমিরুল শিকদার, জাসাস এর সভাপতি রিপন মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ শিকদার, ছাত্র দলের আহ্বায়ক সাব্বির মোল্লা,কৃষক দলের সভাপতি কুদ্দুস শিকদার, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিগণ উপস্থিত ছিলেন

স্থানীয় বাসিন্দা মো. রবিউল জানান, গতকাল গভীর রাতে মাত্র ৪০ মিনিটের ব্যবধানে ভয়াবহ এ ভাঙনের ঘটনা ঘটে। এতে মোট ১২টি বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙনের আতঙ্কে আশপাশের অনেক পরিবার তাদের ঘরবাড়ি ও মূল্যবান আসবাবপত্র নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছেন।

আরেক বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন বলেন, “শুধু জিও ব্যাগ ডাম্পিং করে এই ভয়াবহ নদীভাঙন রোধ করা সম্ভব নয়। স্থায়ী সমাধানের জন্য দ্রুত একটি টেকসই নদী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা জরুরি।”

এদিকে, স্থানীয়দের দাবি, প্রতিবছর যমুনা নদীর ভাঙনে বসতবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কৃষিজমি বিলীন হলেও স্থায়ীভাবে নদীভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তারা দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

Facebook Comments Box


More News Of This Category
bdit.com.bd
error: Content is protected !!